পড়ালেখা কে আবিষ্কার করেছে - পড়ালেখা নিয়ে উক্তি

পাঠ্যপুস্তক বিষয় শিক্ষা

আমরা পৃথিবীতে সকলেই পড়াশোনা করি এবং পড়াশোনা করতে চাই ,আবার কিছু সময় অলসতা কাজ করে , পড়ালেখা ভালো লাগেনা , আবার অনেকেই পড়ালেখা ভালো করে জীবনে ভালো কিছু অর্জন করতে চাই। আবার কিছু সময় আমাদের মনে প্রশ্ন জাগে পড়ালেখা কে আবিষ্কার করেছে?

image

 এ সকল তথ্য আমরা জানবো ইনশাআল্লাহ। সেজন্য পুরো কনটেন্টটি কষ্ট করে পড়লেই জানতে পারবো ইনশাআল্লাহ।

সূচিপত্র: পড়ালেখা কে আবিষ্কার করেছে - পড়ালেখা নিয়ে উক্তি  

পড়ালেখা কে আবিষ্কার করেছে ?

তাহলে ফাইনালি চলেন আমরা জানি পড়াশোনা কে আবিষ্কার করেছে এবং তার জন্ম মৃত্যু ? হোরেস মান তিনি একজন আমেরিকান তিনার জন্ম: ৪ মে ১৭৯৬ ফ্র্যাঙ্কলিন, ম্যাসাচুসেটস এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন, এবং তিনার মৃত্যু কাল: মারকিন যুক্তরাষ্ট্র ২ আগস্ট ১৮৫৯ তিনার মৃত্যু হয় (বয়স ৬৩ বছর) তিনার দাফনের স্থান: উত্তর কবরস্থান, প্রভিডেন্স রোড, আইল্যান্ড মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

পড়ালেখা আর পড়ালেখা-পড়ালেখা নিয়ে উক্তি

আমরা আমাদের ছোটবেলায় শুনতাম পড়ালেখা করে যে গাড়ি-ঘোড়ায় চড়ে সে। আর দুষ্টু ছেলেরা ফাঁকি দেয়ার জন্য বলতো পড়ালেখা করে যে গাড়ি চাপা পড়ে সে। আজ বড় হয়ে দেখছি-শিক্ষিত অশিক্ষিত সবাই গাড়ি চাপা পড়ে। আর অশিক্ষিতরা গাড়ি কিনে যেসব গাড়িতে চড়ে ঠিক তেমনি লেখাপড়া না করেও আজকালকার মাস্তানরা নানাভাবে গাড়ি হাঁকায়।

আরো পড়ুন: html এর জনক কে?

এতে কি আমরা হতাশ হব? নাহ কক্ষনোই না। কারণ আমরা জানি মাস্তানরা গাড়ি চালালেও তারা মানুষের ভালবাসা পায় না, এমনকি অনেক ক্ষেত্রে নিজের পিতা-মাতারাও না। তবে একটা জিনিস তারা সব সময় বেশি পাই সমাজের সকলের কাছ থেকে, সেটি হল ঘৃণা আর ঘৃণা। কাজেই আমরা লেখাপড়া করব শুধু গাড়িতে চড়ার জন্যেই নয় বরং অনেক বড় মানুষের মতো মানুষ হওয়ার জন্যে।

একদিন আল্লাহ তার সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ ফেরেশতা জিব্রাইলের মাধ্যমে সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ হযরত মুহাম্মদ (সা) এর কাছে সর্বপ্রথম এ আসমানী নির্দেশটি পাঠালেন, তোমরা জানো সেই মহান গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশটি কি ছিল? সেই পবিত্রতম বাণীটি ছিল-'ইক্করা' মানে 'পড়ো'। তোমরা কি জানো? কেন আমরা আশরাফুল মাখলুকাত-অর্থাৎ সৃষ্টির সেরা জীব বলা হয়? সে এক মজার কাহিনী

হযরত আদম (আ) কে সৃষ্টির পরপরই একটি চমৎকার প্রতিযোগিতা হয়েছিল। একদিকে সকল ফেরেশতা, অপরদিকে হযরত আদম (আ) একা। আল্লাহ ছিলেন প্রধান বিচারক। প্রতিযোগিতায় বিষয়বস্তু ছিল 'জ্ঞান' আমাদের আদি পিতা হযরত আদম (আ) সে প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন বলেই আমরা আশরাফুল মাখলুকাত খেতাব পেয়েছি। 

আরো পড়ুন: কৃষি শিক্ষা - ইসলামের দৃষ্টিতে কৃষি

রাসূল (সা) জ্ঞান অর্জনের গুরুত্ব বুঝাতে গিয়ে বলেছেন, 'তোমরা দোলনা থেকে কবর পর্যন্ত জ্ঞান অর্জন কর ।' এর আগে পরে কোন সময় জ্ঞান অর্জন থেকে বঞ্চিত হয় না।

শিক্ষা অমূল্য ধন

বড় হতে হলে, এ বিশ্বাসটাকে আবারো জয় করতে চাইলে অনেক অ-নে-ক বেশি পড়ালেখা করতে হবে। মুসলিম ছাড়াও বিশ্বে যারাই বড় হয়েছেন তারাই প্রচুর পড়ালেখা করেই বড় হয়েছেন। যিনি দরিদ্রতার কারণে ঘড়ি বিক্রি করে দিয়ে দিনে আধ পেট খেয়ে, সারাদিন লাইব্রেরীতে পড়ে থাকতেন আর পৃথিবীকে পরিমাপ করতেন। তিনি পরবর্তীতে রূপকথাকেও ছাড়িয়ে গিয়ে জগৎবিখ্যাত নেপোলিয়ান হয়েছিলেন।

হেলেন কিলার ছিলেন সম্পূর্ণ অন্ধ; কিন্তু চক্ষুষ্মান অনেক অনেক লোকের চাইতেও তিনি অধিক সংখ্যক বই পড়েছেন। সাধারণের চাইতে কমপক্ষে ১০০ গুণ এবং নিজেই লিখেছেন প্রায় ১১ টি গ্রন্থ। আর নোবেল বিজয়ী বার্নার্ডশ, দরিদ্রতার কারণে মাত্র পাঁচ বছর স্কুলে লেখাপড়া করতে পেরেছিলেন তিনি। কিন্তু তিনি ছিলেন বিশ্বের তার যুগের সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক। 

আরো পড়ুন: (কবিতা) কাজী নজরুল ইসলামের

তিনি মাত্র ৭ বছর বয়সে শেকসপিয়র, বুনিয়ান, আলিফ লায়লা, বাইবেল প্রভৃতি অমর গ্রন্থ শেষ করেন আর ১২ বছর বয়সেই ডিকেন্স, সেলীর  বইগুলি হজম করে ফেলেন তিনি। আমরাও যদি বড় হতে চাই পড়ালেখার কোন বিকল্প নেই। আমাদের উপমহাদেশেও যে সকল ব্যক্তিত্বকে মানুষ সর্বদা স্মরণ করে তারা প্রায় প্রত্যেকেই ছিলেন মহাজ্ঞানী আর সুউচ্চ ক্যারিয়ারসমৃদ্ধ। আল্লামা ড. ইকবাল মাত্র ৩০ বছর বয়সে ব্যারিস্টার ও ডক্টরেট ডিগ্রী অর্জন করেন।

কায়েদ আজম মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ মাত্র ২৪ বছর বয়সে ব্যারিস্টার হন। ভারতের জনক মহাত্মা গান্ধী, প্রথম প্রধানমন্ত্রী নেহেরু ব্যারিস্টার ছিলেন। বিজ্ঞানী আইনস্টাইন,আমাদের নবাব স্যার সলিমুল্লাহ, শেরে বাংলা আবুল কাশেম ফজলুল হক, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী তারাও তাদের সময়ের বিখ্যাত শিক্ষাবিদ, আইনবিদ ও ব্যারিস্টার ছিলেন।

আরো পড়ুন: চিঠি লেখার নিয়ম

তাদের কথা চিন্তা করে এসো, গোলাপকলিরা আমরা স্লোগান দেই 'বিশ্বটাকে গড়তে হলে সবার আগে নিজেকে গড়ো।' একজন মহান ব্যক্তির মহান কথা। তিনি যখন অসহায় ভাবে রাশিয়ার এক রেল স্টেশনে মারা যান তখন তার অভার কঠিন পকেটে পাওয়া যায় মূল্যবান এক বই 'দ্যা সেইং অব প্রোফেট মোহাম্মদ'। সে নোবেল বিজয়ী লিও টলস্টয়কে বলা হয়েছিল জাতীয় উন্নয়নের জন্য আপনি যুব সমাজের প্রতি কিছু বলুন। তিনি বলেছিলেন, আমার তিনটি পরামর্শ আছে : পড় পড় আর পড়।

এটি যেন মহান আল্লাহর সেই প্রথম বাণী পড় তোমার সেই প্রভুর নামে এরই প্রতিফলন।

উপসংহার

তো আলহামদুলিল্লাহ পুরো কন্টেনটি পড়ে আশা  করি বুঝতে পেরেছেন, শিক্ষা একটা এমন জিনিস এটার ভাগ কেউ নিতে পারেনা।

ধন্যবাদ-Thanks

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আর আইটি ফার্মের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url