যাকাত কাকে বলে - যাকাত দেওয়ার নিয়ম

ইসলামিক

যাকাত (zakat) ইসলামিক জীবন বিধানের অন্যতম মূল ভিত্তি (বুনিয়াদ) ও অবশ্য পালনীয় ফরজ এবাদত। ইসলামের বুনিয়াদের মধ্যে ঈমান, নামাজ ও রোজা সকল মুসলমানের জন্যই অবশ্য পালনীয়, কিন্তু হজ ও যাকাত শুধুমাত্র অর্থ সম্পদের দিক দিয়ে সামর্থ্যবান মুসলমানদের উপর ফরয।

image
যাকাত কাকে বলে - যাকাত দেওয়ার নিয়ম

যাকাত শব্দের অর্থ কি? যাকাত কাকে বলে, যাকাত দেওয়ার নিয়ম, এই সমস্ত বিষয়গুলো জেনে মানার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ। বিশেষ করে, আমাদের যাদের সম্পদ আছে তাদের এই বিষয়ে জানতে হবে, পড়তে হবে এবং আল্লাহর হুকুম পালনের জন্য অবশ্যই মানতে হবে। তো আসুন আমরা এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনাটি পড়ে দেখি।

সূচিপত্র: যাকাত কাকে বলে - যাকাত দেওয়ার নিয়ম

যাকাত শব্দের অর্থ কি?

'যাকাত' আরবি শব্দ। এর অর্থ হচ্ছে পবিত্রতা, ক্রমবৃদ্ধি, আধিক্য ইত্যাদি। পারিভাষিক অর্থে, যাকাত বলতে ধনীদের ধন মালে আল্লাহর নির্ধারিত অবশ্য দেয় অংশকে বুঝায়। আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে সম্পদশালীদের সম্পদ থেকে নির্ধারিত ৮টি খাদে যাকাত দেয় বন্টন করার নির্দেশ দিয়েছেন।

বস্তুর যাকাত হচ্ছে সম্পদশালীদের সম্পদে আল্লাহর নির্ধারিত সেই ফরজ অংশ যা সম্পদ ও আত্মার পবিত্রতা অর্জন, সম্পদের ক্রমবৃদ্ধি সাধন এবং সর্বোপরি আল্লাহর রহমত লাভের আশায় নির্ধারিত খাদে ব্যয়-বন্টন করার জন্য দেওয়া হয়।

এক দিকে যাকাত ধনসম্পদকে পবিত্র ও পরিশুদ্ধ করে, এই প্রবৃদ্ধি সাধন করে, অন্যদিকে দরিদ্রদের আর্থিক নিরাপত্তাও নিশ্চিত করে।

যাকাত কাকে বলে

আল্লাহর পক্ষ থেকে বান্দাদের যেই অর্থ আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদেরকে দিয়েছেন সেই অর্থগুলো থেকে কিছু অর্থ আল্লাহর পথে ব্যয় করা অর্থাৎ যাকাত দেয়া, আল্লাহ রাব্বুল আলামীন পবিত্র কুরআনুল কারীম থেকে বলেন-

واقيموا الصلاه واتوا الزكاه وما تقدموا لانفسكم من خير تجدوه عند الله ان الله بما تعملون بصيرا

অর্থ, "তোমরা সালাত কায়েম করো ও যাকাত আদায় কর। তোমরা উত্তম কাজের যা কিছু নিজেদের জন্য পূর্বে প্রেরণ করবে, আল্লাহর নিকট তা পাবে। তোমরা যা করো নিশ্চয়ই আল্লাহ তার স্রষ্টা"(সূরা বাকারা আয়াত নং ১১০)

আরো পড়ুন: ঈমান কাকে বলে

বস্তুত ইসলামে নামাজ এবং জাকাতের মধ্যে পার্থক্য করার কোন অবকাশ নেই। আব্দুল্লাহ ইবনে যায়দ (রা) বলেছেন, নামাজ ও যাকাত উভয়ই ফরজ করা হয়েছে, এ দুটির মধ্যে কোনরূপ পার্থক্য করা হয়নি। এ কারণে ইসলামে যাকাত আদায়ের সুষ্ঠু ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

রাসূলুল্লাহ (সা) বলেছেন: "কেউ যদি আল্লাহর পুরস্কার এর আশায় যাকাত দেয়, তাহলে তাকে পুরস্কৃত করা হবে। কিন্তু যে যাকাত দিতে অস্বীকার করবে, তার কাছ থেকে শক্তি প্রয়োগ করে যাকাত আদায় করতে হবে এবং আল্লাহর হুকুম অনুযায়ী তার অর্ধেক সম্পত্তিও নিয়ে নেয়া হবে" (বুখারী, নাসাঈ ও বায়হাকী)।

ইসলামের প্রথম খলিফা হযরত আবু বকর সিদ্দিক (রা)-এর খেলাফতকালে আরবের কিছু গোত্র যাকাত দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল, যদিও তারা নামাজ পড়তো। কিন্তু হযরত আবু বকর সিদ্দিক (রা) যাকাত না দেওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন।তিনি দৃঢ়-কণ্ঠে বলেছিলেন: "আমি অবশ্যই সেসব লোকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করব যারা নামাজ ও যাকাতের মধ্যে পার্থক্য করবে।

আল্লাহর কসম, ওরা যদি একটা উটের রসিও দিতে অস্বীকার করে, যা রসূলুল্লাহ (সা)-এর জামানায় তারা দিত, তাহলে আমি তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই অস্ত্রধারণ করব। "সাহাবায়ে কিরাম হযরত আবূ বকর (রা)-এর সঙ্গে সর্ব সম্মতভাবে ঐকমত্য পোষণ করেছেন''।

আল্লাহ-পাক কোরআনে সুস্পষ্ট ভাষায় বলা হয়েছে:

وويل للمشركين الذين لا يؤتون الزكاه وهم بالاخره هم كافرون

"দুর্ভাগ্য মুশরিকদের  জন্য, যারা যাকাত দেয় না এবং তারা আখিরাতেও অবিশ্বাসী" (সূরা হামিম আস সাজদা আয়াত নং ৬-৭)।

আরো পড়ুন: মুমিন কাকে বলে ঈমানের ফল কি?

এবং যারা তওবা করবে এবং আল্লাহর দাসত্ব মেনে নেবে তার হুকুম পালনের ত্রুটি হলে নিজেকে সংশোধন করে নেবে তাদের জন্য সুখবর, সুখবর, সুখবর।

আল্লাহ তাআলা বলেন:

فانكابوا واقاموا الصلاه واتوا الزكاه فاخوانكم في الدين

"যদি তারা তাওবা করে, সালাত কায়েম করে ও যাকাত দেয়, তবে তারা তোমাদের দ্বীনি ভাই"(সূরা তাওবা আয়াত নাও ১১) ।

যেসব কাজ করলে আল্লাহ মানুষের উপর রহমত নাযিল করেন, তারমধ্যে অন্যতম কাজ হচ্ছে যাকাত দেওয়া।

যাকাত কাদের উপর ফরজ

ইসলামী আইনবিদগন এই ব্যাপারে একমত যে, যাকাত কেবলমাত্র স্বাধীন, পুরনো বয়স্ক ও সম্পদশালী মুসলমানের উপর ফরয। সম্পদশালী কথাটি একটু ব্যাখ্যা সাপেক্ষ। কারো সম্পদশালী হওয়ার জন্য নিম্নের শর্তগুলো পূরণ হওয়া জরুরী : সম্পদের উপর যাকাত ফরজ হওয়ার জন্য সম্পদের মালিকানা সুনির্দিষ্ট ও পূর্ণাঙ্গ হওয়া জরুরী।

সম্পদের উপর অন্য কারো অধিকার না থাকা এবং নিজের ইচ্ছামত তা ভোগ ও ব্যবহার করতে পারাই হল মালিকানার বৈশিষ্ট্য। এক্ষেত্রে 'সুনির্দিষ্ট'ও 'পূর্ণাঙ্গ' কথা দুটো বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। যেসব সম্পদের মালিকানা সুনির্দিষ্ট নয়, তার ওপর কোন যাকাত নেই।

আরো পড়ুন: সূরা ফাতিহা শানে নুযুল - সূরা ফাতিহার ফজিলত ও আমল

যেমন: সরকারি মালিকানাধীন ধন-সম্পদ। তেমনি জনকল্যাণমূলক কাজের জন্য ওয়াকফকৃত মালের উপরও যাকাত ধার্য হবে না (শামীম, খ.২)। তবে ওয়াকফ যদি কোন ব্যক্তি বা গোত্রের জন্য হয়. তাহলে তার ওপর যাকাত দিতে হবে। যে ঋণ ফেরত আবার আদৌ আশা নেই, তার ওপর যাকাত ধার্য হবে না। তবে যদি ফেরত পাওয়া যায়, তাহলে এক বছর অতিবাহিত হওয়ার পর এর যাকাত দিতে হবে (বেহেস্তী যেওর)।

যাকাত দেওয়ার নিয়ম jakat er niyom

যাকাত দেওয়ার নিয়ম, নিসাব বলতে বুঝায় ওই পরিমাণ অর্থ বা সম্পদ যা কারো নিকট এক বছর থাকলে ওই সম্পদের যাকাত আদায় করা তার ওপর ওয়াজিব হয়। তার ঐ সম্পদ থাকে তাকে 'মালিকে নিসাব বা 'সাহিবে নইসআ' বলে। নিম্নে নিসাবের বর্ণনা দেয়া হলো- যে সব সম্পদের যাকাত দিতে হবে :

  • (১) সোনা-রূপা বা তার তৈরি অলংকার
  • (২) ব্যবসায়ের মালামাল।
  • (৩) নগদ অর্থ
  • (৪)শেয়ার বন্ড।
  • ৫)খনিজ সম্পদ
  • (৬) গরু-মহিষ
  • (৭) ছাগল-ভেড়া
  • (৮) উট
  • (৯) ঘোড়া, (১০) কৃষি ফসল।

(১) সোনা-রূপা : ৭.৫ তোলা স্বর্ণ বা ৫২.৫ তোলা রুপা অথবা দুটি মিলে যেকোনো একটি মূল্যের সমান হলে।

(২) ব্যবসায়ী সম্পদ: ব্যবসায়ী মালা মালের বছরের শেষে আয়- ব্যয়, নগদ অর্থ, ব্যাংকে জমা, দেনা-পাওনা, দোকানে এবং গুদাম রক্ষিত মালামাল, প্রক্রিয়ায় অবস্থিত মাল, ঋণ ইত্যাদি হিসেবে আনতে হবে। এসব থেকে কেবল মেশিন, দালান, জমিসহ ব্যাংক ঋণ বাদ দিয়ে অবশিষ্ট সম্পদের উপর যাকাত দিতে হবে।

(৩) নগদ অর্থ:(১/২) তোলা স্বর্ণ অথবা ৫২(১/২) তোলা রৌপ্যের সমমূল্যের অর্থ কারণ নিকট এক বছর জমা থাকলে (১/৪০)অংশ ২(১/২%) শতকরা আড়াই ভাগ যাকাত দিতে হবে।

আরো পড়ুন: ১১৪ টি সূরা - কুরআনের ১১৪ টি সূরার নাম অর্থসহ

(৪) শেয়ার বন্ড: সিকিউরিটি মানি ইত্যাদি তা অর্থের মূল্য বহন করে, তারও যাকাত দিতে হবে। এসব যদি হিসাব পরিমাণ হয় এবং এক বছর পূর্ণ হয়, তাহলে এর (১/৪০) অংশ যাকাত দিতে হবে।

(৫) খনিজ সম্পদ: জমিতে তথা মাটির নিচে রক্ষিত গুপ্তধনকে কানয বলে, খনিতে প্রাপ্ত যে সম্পদ তাকে 'মা'দান' বা খনিজ সম্পদ বলে। এ সকল সম্পদের যাকাত 'খুমুস' বা পাঁচ ভাগের একভাগ। তবে খনিজ সম্পদে এক বছর পূর্ণ হওয়ার প্রয়োজন নেই বরং সম্পদ প্রাপ্তির সাথে সাথে যাকাত আদায় করতে হবে। অর্থাৎ এক বছর পূর্ণ অতিক্রম শর্ত নয়।

(৬) গরু-মহিষ: গরু ও মহিষের যাকাত নিসাব একই। ৩০ টি গরুতে এক বছরের একটি বাছুর যাকাত দিতে হবে। ৩০টির কম হলে কোন যাকাত নেই। ৩১ হতে ৩৯ পর্যন্ত একই। ৪০ হতে ৫৯ পর্যন্ত দুই বছরের একটি বাছুর। ৬০টি হলে এক বছরের দুটি বাছুর। এরপর প্রতি ৩০ টি গুরুর জন্যে এক বছরের একটি বাছুর এবং প্রতি ৪০ টির জন্য দুই বছরের একটি বাছুর যাকাত দিতে হবে।

(৭) ছাগল ভেড়া : ছাগল এবং ভেড়ার যাকাত একই। ছাগল ও ভেড়া ৪০ তীর কম হলে কোন যাকাত দিতে হবে না।

৪০ হতে ১২০ টি পর্যন্ত ১টি ছাগল/ভেড়া যাকাত দিতে হবে। ১২১-২০০ পর্যন্ত ২টি ছাগল/ভেড়া যাকাত দিতে হবে।

২০১-৩০০ পর্যন্ত ৩ টি ছাগল/ভেড়া যাকাত দিতে হবে।

৩০১-৪০০ পর্যন্ত ৪ টি ছাগল/ ভেড়া যাকাত দিতে হবে। প্রতি শতকের জন্য একটি করে ছাগল দিতে হবে কিংবা ভেড়া হলেও দিতে হবে।

(৮) উটের নিসাব : উট ৫ টির কম হলে কোন যাকাত দিতে হবে না।৫ টি হতে ৯ টি পর্যন্ত একটি ছাগল যাকাত দিতে হবে।

  • ১০ টি হতে ১৪ টি পর্যন্ত ২ টি ছাগল যাকাত দিতে হবে।
  • ১৫ টি হতে ১৯ টি পর্যন্ত ৩ টি ছাগল যাকাত দিতে হবে।
  • ২০ টি হতে ২৪ টি পর্যন্ত ৪ টি ছাগল যাকাত দিতে হবে।
  • ২৫ টি হলে ১ টি উঠনী (যার বয়স ২ বছর) যাকাত দিতে হবে।

২৬ হতে ৩৫ টি পর্যন্ত অতিরিক্ত কিছু দিতে হবে না। তবে ৩৬ টি হলে এমন একটি উঠনী দিতে হবে যার বয়স তৃতীয় বছর শুরু হয়েছে। ৪৬-৬০ পর্যন্ত চার বছরের একটি উটনী। ৬১-৭৫ পর্যন্ত পাঁচ বছরের একটি উটনী।৭৬-৯০ পর্যন্ত ২টি উঠনী যার বয়স তিন বছর (কুদূরী, বিদয়া, ১ম খন্ড, আলমগীর, ১ম খন্ড)।

(৯) কৃষি ফসল: আরবী 'আশারা(عشرة) শব্দ হতে ওশর(عشر) শব্দের উৎপত্তি। আশারা অর্থ ১০ এবং ওশর অর্থ এক-দশমাংশ। জমিতে উৎপাদিত ফসলের তথা কৃষি সম্পদের যাকাত কে 'ওশর' বলে। ওশরের হিসাব অন্যান্য সম্পদের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। এতে এক বছর পূর্ণ হওয়ার কোন অবকাশ নেই। এমনকি সুনির্দিষ্ট নিসাব পরিমাণ হওয়ারও প্রয়োজন নেই। শুধুমাত্র উৎপাদিত ফসল উঠলেই ব্যবহারযোগ্য যাকাত দিতে হবে।

কেননা ওশর হচ্ছে জমির প্রবৃদ্ধি। ওশর আদায়ের নিসাব হচ্ছে-(ক) যদি প্রাকৃতিক উপায়ে উৎপাদিত হয় তবে উৎপাদিত মোট ফসলের এক-দশমাংশ; (খ) যদি কৃত্রিম উপায় সেচের মাধ্যমে উৎপাদন করা হয় তবে ২০ ভাগের এক ভাগ ওশর আদায় করতে হবে। ইসলামী শরী'আতে ওশরের গুরুত্ব অপরিসীম। ওশর সম্পর্কে মহান আল্লাহ তা'আলা কুরআনুল কারীমে বলেন:

আরো পড়ুন: সকল রোগ থেকে মুক্তির দেওয়া

يا ايها الذين امنوا انفقوا من طيبات ما كسبتم ومما اخرجنا لكم من الارض

অর্থ, ''হে ঈমানদারগণ! তোমাদের রোযগারের উৎকৃষ্ট অংশ আল্লাহর পথে খরচ করো এবং তার মধ্য থেকেও, যা তোমাদের জন্য আমি জমিন থেকে বের করেছি,এবং উৎপন্ন করেছি" (সূরা বাকারা আয়াত নং ২৬৭)।

যেসব জিনিসের ওশর ওয়াজিব

জমি হতে উৎপন্ন প্রত্যেক বস্তুর উপর ওশর ওয়াজিব। তেমন-খাদ্যশস্য, ধান, গম, সরিষা,তিল, বাদাম, আখ, খেজুর, শুকনো ফল প্রভৃতি যা গুদামজাত করা যায়। কারো কারো মতে গুদামজাত করা যায় না এমন ফসল যেমন শাক-সবজি, শসা, কইরা, গাজর, মুলা, শালগম, তরমুজ, লেবু, পেয়ারা, আম ইত্যাদি যদি কৃষক বাজারে বিক্রি করে, তাহলে তার ওপর তেজারতি যাকাত ওয়াজিব হবে-যদি তার নিসাব পরিমান হয়।

শেষ কথা

যাকাত দিলে অর্থ সম্পদ কমে যায়, এটা আমাদের মধ্যে অনেকের ভুল ধারণা বরং যাকাত দিলে সম্পদ পবিত্র হয়। মজার ব্যাপারে আল্লাহ তা'আলা আমাদের যে সম্পদ দিয়েছেন সে সম্পদ গুলো তার পথে ব্যয় করে আমরা নিজেরাই সওয়াব পাচ্ছি। আসুন আমাদের যাদের উপর যাকাত ফরজ হয়েছে তারা যাকাত আদায় করি।

ধন্যবাদ-Thanks

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আর আইটি ফার্মের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url