সিপিএ ডিজিটাল মার্কেটিং কি

ইনফরমেশন টেকনোলজি it

সিপিএ ডিজিটাল মার্কেটিং কি ? CPA marketing (Cost Per Action) হল একটি ডিজিটাল মার্কেটিং ফর্ম।C.P.A প্রতিটি অ্যাকশনের জন্য প্রদানকারীকে মূল্য প্রদানের জন্য অর্থ ব্যবহৃত হয়, যেমন একটি পণ্য কেনা, একটি ইমেইল সাবস্ক্রিপশন, একটি অ্যাপ ডাউনলোড ইত্যাদি।সিপিএ ডিজিটাল মার্কেটিং কি জানতে সম্পন্ন পোস্ট পড়ুন।

image

সূচিপত্র: সিপিএ ডিজিটাল মার্কেটিং কি? cpa marketing কী

সিপিএ ডিজিটাল মার্কেটিং কি

CPA মার্কেটিং একটি ডিজিটাল মার্কেটিং প্রক্রিয়া যা ক্রেতাদের উত্পাদনকারীর সাথে সম্পর্ক স্থাপনের জন্য ব্যবহৃত হয়। এখানে প্রতিটি ক্রিয়াকলাপের জন্য প্রদানকারীকে মূল্য প্রদান করা হয় এবং মূল্যবান অ্যাকশনগুলির জন্য মূল্য পেয়ে যায় প্রদানকারী।

এখানে CPA হলো সংক্ষেপ নাম এর পরিপূর্ণ নাম "Cost Per Action" এটা ইতিমধ্যে আপনারা জেনে গেছেন। এটি যে প্রতিটি অ্যাকশনের জন্য প্রদানকারীকে মূল্য প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়, যেমন একটি পণ্য কেনা, একটি ইমেইল সাবস্ক্রিপশন, একটি অ্যাপ ডাউনলোড ইত্যাদি।

আরো পড়ুন: ডিজিটাল মার্কেটিং এ টু জেড

CPA মার্কেটারা এই প্রতিটি অ্যাকশনের জন্য প্রদানকারীর সাথে একটি লিঙ্ক বা বিজ্ঞাপন শেয়ার করে এবং সেই বিজ্ঞাপন দেখানো হলে যদি কেউ সেই অ্যাকশনটি না নিতে চায় তবে কোন মূল্য প্রদান করা হয় না।

বিস্তারিত স্পষ্টতা দিয়ে বলতে গেলে, CPA মার্কেটিং প্রক্রিয়াটি বিজ্ঞাপন মাধ্যমে কাস্টমারদের কোন কর্মকাণ্ড সম্পন্ন করার জন্য প্রদানকারীর সাথে সম্পর্ক গঠনের মাধ্যমে সাধারন উপভোগকারীদের উৎপাদনকারীর অফারগুলি প্রচার করে।  এবং এর পরিণামে প্রদানকারীকে প্রতিটা ক্লিকের জন্য অর্থ প্রদান করা হয়।

সিপিএ মার্কেটিং এর উদাহরণ

মনে করুন একটি স্মার্টফোন নির্মাতা কোম্পানি আপনার সাথে সমঝোতা করে একটি CPA ক্যাম্পেইন চালানোর জন্য। এই ক্যাম্পেইনে, কোম্পানি আপনাকে তাদের স্মার্টফোনের একটি বিশেষ ফিচার ব্যবহার করতে বলে দিচ্ছে এবং প্রতিটি বিশেষ ফিচারের জন্য আপনাকে ট্র্যাফিক উত্তোলন করতে বলে দিচ্ছে।

এখন আপনি একটি প্রকৃত স্মার্টফোন বিষয়ক পোস্ট করতে পারেন এবং কোম্পানি আপনাকে স্মার্টফোনের স্পেশাল ফিচার ব্যবহার করার জন্য লিংক সরবরাহ করে। যখন কেউ আপনার স্মার্টফোন পোস্ট দেখবে এবং লিংকটি ক্লিক করবে, তখন কোম্পানি ট্রান্সযোক প্রযোজ্য করে আপনাকে ক্যাশব্যাক প্রদান করবে।

আরো পড়ুন: জিমেইল পাসওয়ার্ড কিভাবে দেখবো

আরো একটি উদাহরণ

ধরুন আপনি একটি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার এবং আপনার মার্কেটিং কার্যক্রমে সিপিএ মার্কেটিং ব্যবহার করছেন। আপনি একটি পণ্যের প্রচার করছেন এবং প্রতিটি বিজ্ঞাপনের জন্য একটি সিপিএ অফার সেট করেছেন।

এখানে আপনি একটি লিঙ্ক বা বিজ্ঞাপন প্রদান করেন, যা আপনার টার্গেট উপভোগকারীদের কাছে বিজ্ঞাপিত হয়। যদি কেউ ঐ বিজ্ঞাপনে ক্লিক করে সেই লিঙ্কে চলে যায় এবং অফারের শর্তসমূহ পূরণ করে, যেমন একটি নিবন্ধন সম্পূর্ণ করা বা একটি পণ্য কেনা এবং লেনদেন সম্পন্ন করা, তবে আপনি একটি কমিশন পেয়ে যাবেন। এই কমিশন সিপিএ মার্কেটিং প্রদানকারীর মাধ্যমে আপনার উপার্জন হয়।

আপনি নিশ্চয়ই এতক্ষণে বুঝতে পেরেছেন সিপিএ ডিজিটাল মার্কেটিং কি কিভাবে করতে হয় প্রোডাক্ট কিভাবে প্রচারিত হয়  ইত্যাদি।

সিপিএ মার্কেটিং করতে কি কি প্রয়োজন

সিপিএ ডিজিটাল মার্কেটিং করে অনেক অর্থ উপার্জন করা যায় অনেক ফ্রিল্যান্সার অর্থ উপার্জন করছে মাসে লাখ টাকারও বেশি তাই আপনিও চাইলে পিটিয়ে মার্কেটিং করে অর্থ উপার্জনের সুযোগ রয়েছে আপনার জন্য চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক সিপিএ ডিজিটাল মার্কেটিং করতে কি কি লাগে।

১। ক্যাম্পেইন স্পেশালিস্ট: সিপিএ মার্কেটিং ক্যাম্পেইন তৈরি করার জন্য ক্যাম্পেইন স্পেশালিস্টের দক্ষতা প্রয়োজন। ক্যাম্পেইন স্পেশালিস্ট বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে বিজ্ঞাপন প্রচার করতে জানেন এবং ট্রাফিক উত্তোলনের সাধনে দক্ষ।

২। ল্যান্ডিং পেজ তৈরি করার জন্য দক্ষতা: ল্যান্ডিং পেজ হল একটি পেজ যা আপনার লক্ষ্যমূলক কর্মক্ষেত্রের সাথে যুক্ত হয়। এই পেজে আপনি পণ্য বা পরিষেবার বিস্তারিত বর্ণনা, বিনিময় বা অফার সম্পর্কে তথ্য প্রদান করে ব্যবহারকারীদের একটি কনভার্টিং বা ক্রয়ের কাজে উৎসাহিত করে তুলতে পারেন। ল্যান্ডিং পেজ তৈরি করার জন্য দক্ষতা প্রয়োজন যা আপনি একটি ওয়েব ডেভেলপার বা মার্কেটিং এজেন্ট থেকে কিনতে পারেন।

৩। সর্বনিম্ন এবং সর্বোচ্চ সংখ্যক স্থানীয় দর্শকদের প্রাপ্তির জন্য সার্চ এঞ্জিন মার্কেটিং (SEM) করা: সার্চ এঞ্জিন মার্কেটিং (SEM) একটি প্রযুক্তি যা সার্চ এঞ্জিন পেজে আপনার ওয়েবসাইটকে উপস্থাপন করে এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ড পূর্ণ রয়েছে কিনা দেখায়। এটি  আপনার পণ্য বা পরিষেবা প্রচার করতে সাহায্য করে।

৪। সমর্থনকারী সামগ্রী তৈরি করা: আপনি সিপিএ মার্কেটিং এ সাফল্য অর্জন করতে চাইলে, আপনার টার্গেট অডিয়েন্সের জন্য সমর্থনকারী সামগ্রী তৈরি করতে হবে। এটি হতে পারে স্বচ্ছতা, টিউটোরিয়াল, গাইড, ব্লগ পোস্ট, ভিডিও সমূহ ইত্যাদি যা আপনার পণ্য বা পরিষেবা সম্পর্কে বিস্তারিত গ্রাহকদের কাছে পৌঁছে দিতে পারেন।

আরো পড়ুন: ডিজিটাল মার্কেটিং এ কি কি শেখানো হয়?

৫। সমালোচনা ও প্রতিষ্ঠানের উপর ভিত্তি করে টার্গেটিং করা: আপনি আপনার প্রোডাক্ট বা পরিষেবার জন্য টার্গেটিং করার জন্য সমালোচনা ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করতে পারেন। প্রতিষ্ঠানের কাছে সমালোচনার পরামর্শ মানবকেন্দ্রিক করে এবং প্রতিষ্ঠানের ক্রেতাদের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারে।

৬। ডাটা এনালাইসিস এবং পরিসংখ্যান: সিপিএ মার্কেটিং ক্যাম্পেইনের ফলাফল পর্যবেক্ষণ এবং মানচিত্রে দেখানোর জন্য ডাটা এনালাইসিস এবং পরিসংখ্যান করা প্রয়োজন। ডাটা এনালাইসিস করে আপনি যে ক্যাম্পেইন সবচেয়ে কার্যকরী এবং প্রভাবশালী তা জানতে পারেন এবং পরবর্তীতে ক্যাম্পেইন পরিচালনায় এটি ব্যবহার করতে পারেন।

৭। এফিলিয়েট মার্কেটিং: এফিলিয়েট মার্কেটিং সিপিএ মার্কেটিং একটি উপাদান হতে পারে। এটি একটি মার্কেটিং মডেল যেখানে আপনি অন্যান্য ওয়েবসাইটগুলোর সাথে সহযোগিতা করে তাদের পণ্য বা পরিষেবা প্রচার করে এবং প্রতিক্রিয়া পেতে কমিশন পান। এফিলিয়েট মার্কেটিং আপনাকে প্রশাসনিক কাজের চিন্তা না করে শুধুমাত্র প্রচারে কেন্দ্রিত হতে পারে।

৮। সঠিক ট্র্যাকিং ও মেট্রিক: সিপিএ মার্কেটিং ক্যাম্পেইনের পরিণাম মাপা ও বিশ্লেষণ করার জন্য সঠিক ট্র্যাকিং এবং মেট্রিকস প্রয়োজন। এটি আপনাকে যে ক্যাম্পেইন কার্যকরী এবং কোনটি পরিবর্তন প্রয়োজন তা জানতে সহায়তা করে।

শেষ কথা

মজার ব্যাপার আপনি যদি একজন ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের সার্ভিস প্রোভাইড করে থাকে তাহলে আপনি অন্যের বিজ্ঞাপন আপনার ওয়েবসাইটে দেখিয়ে প্রতিটা ক্লিকের বিনিময় একটি অর্থ পেয়ে যাবে। তাই আর দেরি না করেই একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে নিন যেখানে আপনি অন্যের বিজ্ঞাপন দেখিয়ে মাতে লাখ টাকার বেশি আয় করতে পারে।

ধন্যবাদ-Thanks

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আর আইটি ফার্মের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url