ইনফ্লুয়েঞ্জা কি - influenza treatment

রোগ ও সমস্যা

আপনারা এই কনটেন্টটিতে ইনফ্লুয়েঞ্জা কি, লক্ষণ সমূহ, চিকিৎসা, প্রতিরোধ, ইত্যাদি সম্পর্কে জানতে পারবেন এবং ইনফ্লুয়েঞ্জা (influenza) রোগের জন্য কি ওষুধ বা মেডিসিন ব্যবহার করতে হয় সেটাও জানতে পারবেন।

image
ইনফ্লুয়েঞ্জা কি - influenza treatment

ছোট বড় সকলের জন্য ইনফ্লুয়েঞ্জা রোগ ও সমাধান👇

পেজ সূচিপত্র: ইনফ্লুয়েঞ্জা কি ? - influenza treatment

ইনফ্লুয়েঞ্জা কি (influenza)

ইনফ্লুয়েঞ্জা একটা ভাইরাস জনিত সংক্রামক রোগ। এ রোগের জীবাণুর নাম ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস। ইনফ্লুয়েঞ্জা রোগ এক বিরাট জনগোষ্ঠীর মধ্যে একই সময় দেখা দিতে পারে।

আরো পড়ুন: জ্বরের এন্টিবায়োটিক ট্যাবলেট এর নাম - জ্বরের দোয়া

তিন ধরনের ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস আছে, এ, বি, সি

সপ্তকাল: ইনফ্লুয়েঞ্জা influenza রোগের জীবাণু শরীরে প্রবেশের এক থেকে চার দিনের মধ্যে রোগের লক্ষণ দেখা দেয়।

ইনফ্লুয়েঞ্জা কি (influenza) লক্ষণ সমূহ

আপনারা ইনফ্লুয়েঞ্জা কি ?  লক্ষণ সমূহ জানলে আরো ভালোভাবে বুঝতে পারবেন।

  • হঠাৎ করে জ্বর আসে এবং শীত শীত লাগে। সাধারণত ৩ থেকে ৭ দিন জ্বর থাকে।
  • শরীর ম্যাজ ম্যাজ করে এবং ব্যথা করে। সাথে মাথা ব্যথাও থাকে।
  • নাক দিয়ে সর্দি ঝরে, হাঁচি উঠে এবং শুকনো কাশি হয়। সাথে গলা ব্যথা থাকতে পারে। শিশুদের বেলায় শ্বাসকষ্ট হতে পারে।
  • বমি বমি ভাব হয় বা বমি হয়। ক্ষুধামন্দা থাকে।
  • এছাড়া চোখ মুখ লাল হতে পারে।

ইনফ্লুয়েঞ্জা হলে করণীয় - চিকিৎসা

আমাদের যেকোন রোগে রোগাক্রান্ত হলে চিকিৎসা খুবই জরুরী। এবং আমাদের শরীরে যে রোগ হয়েছে সে রোগের জন্য করণীয় গুলো জানা দরকার তাহলে খুব অল্প সময়ে সুস্থতা লাভের আশা করা যায়। চলুন জেনে নিই ইনফ্লুয়েঞ্জা হলে করণীয় ও চিকিৎসা।

  1. এ রোগের তেমন কোন চিকিৎসা লাগে না। চিকিৎসা ছাড়াও ৫-৭ দিনে ভালো হয়।
  2. জ্বর বা শরীরের ব্যথা কমানোর জন্য ট্যাবলেট বা সিরাপ প্যারাসিটামল অথবা ট্যাবলেট এসপিরিন ব্যবহার করা যায়।
  3. রোগীকে আলাদা করে রাখতে হবে। রোগীর শ্বাসকষ্ট হলে অ্যান্টিবায়োটিক যেমন এমপিসিলিন বা অন্য ওষুধ ব্যবহার করা যায়।

ইনফ্লুয়েঞ্জা (influenza) প্রতিরোধ

সর্দি, কফ, কাশি, হাঁচির লক্ষণ সমূহ দেখা দিলে সে সময় মাস্ক, রুমাল ও টিস্যু ব্যবহার করতে হবে। এ সময় রোগীকে ও রোগীর ব্যবহার্য্য জিনিসকে অন্যদের থেকে আলাদা থাকতে/রাখতে হবে, যাতে অন্যদের মধ্যে এই জীবাণু ছড়াতে না পারে।

আরো পড়ুন: গলগন্ড রোগের লক্ষণ

হিব ভেকসিন (HIB Vaccine) দিতে হবে।

সন্তানদের বয়স দেড় মাস (৪৫ দিন) বা ছয় সপ্তাহ হলে এই ভেকসিন এক মাসের ব্যবধানে মোট তিন টা দিতে হবে এবং ১২-১৫ মাসের সময় আরো একটা Booster Dose দিতে হবে।

শেষ কথা

আলহামদুলিল্লাহ, এখন থেকে আপনার ইনফ্লুয়েঞ্জা রোগের লক্ষণ গুলো কারণ মাঝে দেখতে পেলে অথবা নিজে অনুভব করলে চিকিৎসা নিতে পারবেন এবং প্রতিরোধের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন ইনশাআল্লাহ। এবং আপনি একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে আপনার দায়িত্ব পালনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকবে।

ধন্যবাদ-Thanks

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আর আইটি ফার্মের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url